পোস্টগুলি

অক্টোবর, ২০১৩ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

খুলনা টেক্সটাইল মিল্স-জয়নাল ফরাজী

বন্ধের ২০ বছরেও আলোর মুখ দেখেনি খুলনা টেক্সটাইল মিল্স জয়নাল ফরাজী ঃ বন্ধ হওয়ার ২০ বছর অতিবাহিত হলেও একের পর এক বাধা বিপত্তির কারণে এখনো আলোর মুখ দেখেনি শিল্পনগরী খুলনার ১২ হাজার লোকের কর্মসংস্থান খুলনা টেক্সটাইল মিল্স। সরকারের যথেষ্ট আন্তরিকতা সত্ত্বেও একের পর এক নয়া অজুহাতে পিছিয়ে যাচ্ছে এ প্রকল্পটি। দীর্ঘ দিন অতিবাহিত হওয়ার পরও নতুন কোন অগ্রগতি না হওয়ায় বর্তমান সরকারের আমলে খুলনা টেক্সটাইল মিলের ভাগ্য নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। এদিকে নতুন ইস্যু হিসেবে দেখা দিয়েছে হাইটেক পার্ক নির্মাণের বিষয়টি। সূত্র জানায় , উনিশ শতাব্দীর প্রারম্ভে   খুলনা শহরের নিউ মার্কেটে আচার্য্য প্রফুল ¬ চন্দ্র রায় নির্মিত এপিসি কটন মিল যা পরবর্তীতে খুলনা টেক্সটাইল মিল নামে পরিচিত। ১৯৯৩ সালে চারদলীয় জোট সরকার কর্র্তৃক মিলটির পুরাতন যন্ত্রাংশ , দুর্বল অবকাঠামো ইত্যাদি নানা সমস্যার কারণ দেখিয়ে কয়েক হাজার লোককে বেকার বানিয়ে বন্ধ করে দেয়া হয়। প্রায় ৬ বছর পর ম...

নগরীতে নিয়ন্ত্রনহীন সাইবার ক্যাফে চলছে অবৈধ পর্ণোগ্রাফির ব্যবসা

নগরীতে নিয়ন্ত্রনহীন সাইবার ক্যাফে চলছে অবৈধ পর্ণোগ্রাফির ব্যবসা জয়নাল ফরাজীঃ খুলনা মহানগরীর বিভিন্নস্থানে সাইবার ক্যাফে গুলোতে নিয়ন্ত্রনহীন ভাবে চলছে অবৈধ পর্ণোগ্রাফির ব্যবসা। প্রশাসনের নাকের ডগায় এ ব্যবসা পরিচালনা করছেন এক শ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ী। এ যেন দেখার কেউ নেই।   তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে , নগরীর নিউমার্কেট , ডাকবাংলা , রয়েল মোড় ( সাতরাস্তা ), রূপসা , দৌলতপুর , খালিশপুর , পিটি আই মোড় , টুটপাড়া মোড় , নিরালা মোড় , গল্লামারী , সোনাডাঙ্গাসহ বিভিন্ন পয়েন্টে শতাধিক সাইবার ক্যাফে চলছে নিয়ন্ত্রনহীন ভাবে। স্কুল - কলেজগামী শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন সময়ে ইন্টারনেট ব্যবহার করার জন্য ঘন্টা প্রতি ২০ টাকা দিয়ে প্রবেশ করে। সেখানে তারা ওপেন সিক্রেটে পর্ণোগ্রাফি ডাউনলোড করে নিজস্ব মেমরী কার্ড বা পেনড্রাইভে নিয়ে যায়। এরপর ছড়িয়ে দেয় বন্ধুদের মাঝে। এতে করে বিপথগামী হয়ে পড়ছে উঠতি বয়সের যুবক - যুবতীরা।   সরেজমিনে নগরীর কয়েকটি সাইবার ক্যাফে ঘুরে দেখা যায় ,...

Mona Munsi Khulna--1

নগরীর   সোনাডাঙ্গার   মনা   মুন্সি   হত্যা   মামলা ৩   বছরেও   কুল - কিনারা   নেই স্টাফ   রিপোর্টার  :  নগরীর সোনাডাঙ্গা ময়লাপোতার মনা মুন্সি হত্যা মামলার ৩ বছর অতিবাহিত হলেও কোন কুল-কিনারা পায়নি মামলার বাদী পরিবার। অপরদিকে জামিন নিয়ে প্রকাশ্যে ঘুরে বেরাচ্ছে আসামীরা। প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, ২০১০ সালের ১৬ অক্টোবর একটি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রকাশ্যে দিবালোকে পরিকল্পিতভাবে মনা মুন্সিকে হত্যা করে আসামী কাশেম, হান্নান, আকরাম, হাসান, তাছলিসহ তাদের পরিবারের কিছু সদস্য। ওইদিন নিহতের ছেলে আলাউদ্দিন বাদী হয়ে সোনাডাঙ্গা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। যার নং ১৫। সূত্র জানায়, মামলা দায়েরের প্রায় ৬ মাস পর আদালতে চার্জশীট দাখিল করা হয়। চার্জশীটে এজাহারভুক্ত আসামীদের অভিযুক্ত করা হয়। বর্তমানে মামলাটি জননিরাপত্তা  আদালতে স্যাগ্রহণ চলছে। মামলার অভিযুক্ত আসামীরা অনায়াসেই মাদক ব্যাবসা চালিয়ে যাচ্ছে। আর অভিযুক্ত আকরাম ও হাসান ওই এলাকায় জুয়া খেলা নিয়ন্ত্রন করছে। জামিনে থেকে বিভিন্ন সময় মামলা আপোষ করতে বাদী পরিবারকে হুমকি ...