পোস্টগুলি

সেপ্টেম্বর, ২০১৫ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে
ছবি
অজ্ঞাত কারনে ধরাছোঁয়ার বাইরে মাদক সম্রাট শাহজাহান জয়নাল ফরাজী: একের পর এক মাদকের বড় চোরাচালান ধরা পড়লেও আটক হচ্ছে না খুলনার চিহ্নিত মাদক সম্রাট শাহজাহান। খুলনার শহরে তিনি শূন্য থেকে কোটিপতি বনে গেছেন। তার রয়েছে মাদকের শক্তিশালী সিন্ডিকেট। পুলিশ তাকে আটকের বিষয়ে কোন সাফল্য পাচ্ছে না অজ্ঞাত কারনেই।  জানা গেছে,  ২০১১ সালের ২৭ মার্চ রাত ১২টার দিকে পুলিশ নগরীর ইউসুফ রো রোডের ৩ নম্বর মির্জাপুরে শাহজাহানের ভাড়া বাড়িতে অভিযান চালায়। ওই সময় বাড়ির সিঁড়ির নিচের দুটি গোডাউন ও দোতলার বিভিন্ন কক্ষ থেকে ৬৪০ বোতল দেশী-বিদেশী মদ, এক হাজার ৬০৮ ক্যান বিয়ারসহ বিভিন্ন ব্রান্ডের মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়। অভিযানের সময় তালাবদ্ধ ঘরের কক্ষ থেকে একটি একনলা বন্দুক ও ৮ রাউন্ড বন্দুকের কার্তুজ ও নগদ ৯০ হাজার ৭৫০ টাকা, একটি বৌদ্ধমূর্তি, একটি স্বর্ণের সাদা পাথর সংবলিত আংটি, বিভিন্ন মডেলের ৯টি মোবাইল সেট, এক গুচ্ছ চাবি ও ৮টি ৫শ’ টাকার জাল নোট উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় শাহজাহানের স্ত্রী ফরিদা পারভীন, তার ছেলে জুলফিকার আলী খান ওরফে শুভ, মেয়ে ফাতেমাতুজ জোহরা মহুয়া, বাড়ির ম্যানেজার আবুল কালাম আজাদ ও কাজের ...
ছবি
শূন্য থেকে কোটিপতি মদের কারবারি শাহজাহান জয়নাল ফরাজী: খুলনার মাদক সম্রাট শাহজাহানকে ঘিরে রীতিমতো তৈরি হয়েছে রহস্য। একের পর এক বিদেশী মদের চালান ধরা পড়লেও খোঁজ মিলছে না তার। আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী তার টিকিটিও ছুঁতে পারে না। ফলে তাকে ঘিরে রহস্য আরও ঘনীভূত হয়েছে। রহস্যের জালে জড়িয়ে পড়া এ মাদক সম্রাটকে নিয়ে চালানো অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর অনেক তথ্য। জানা গেছে, শুধু মাদক ব্যবসা করে শাহজাহান নগরীতে একাধিক মার্কেট গড়ে তুলেছেন। তাছাড়া বাগানবাড়িসহ রয়েছে তার কোটি কোটি টাকার সম্পদ। এছাড়া তিনি সর্বাধুনিক মডেলের দামি গাড়িতে চলাফেরা করে থাকেন। অনুসন্ধানে জানা গেছে, শাহজাহান কৌশলে খুলনা এবং এর আশপাশের কয়েকটি জেলায় দেশী -বিদেশী মদ এবং বিয়ারের ব্যবসা করে থাকেন। মাদক ব্যবসা পরিচালনার জন্য তার ৩০জন বেতনভুক্ত লাইনম্যান রয়েছে। শুধুমাত্র মোবাইলে ফোন করলেই লাইনম্যানরা নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছে দেয় মদ, আর বুঝে নেয় টাকা। সম্প্রতি সে তার ব্যবসাকে আরও ডিজিটালাইজড করেছে। এক্ষেত্রে বিকাশের মাধ্যমে আগে টাকা পাঠালে দ্রুত মদ পৌঁছে যায়। সূত্র জানায়, তার সবচেয়ে বিশ্বস্ত সহযোগী মনোয়ার ওরফে মনো এবং ...
ছবি
নগরীর অভিজাত এলাকায় প্রকাশ্যেই ড্যান্ডি সেবন জয়নাল ফরাজী: নগরীর অভিজাত এলাকায় প্রকাশ্যেই ড্যান্ডি সেবন করছে পথশিশুরা। আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর সদিচ্ছার অভাবেই প্রকাশ্যে তারা এই নেশায় জড়িয়ে পড়ছে। এর ফলে পথশিশুদের জীবন ধ্বংসের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বলে একাধিক সূত্র জানায়।  ড্যান্ডি এক ধরনের আঠা যা মূলত সলিউশন। এতে রয়েছে টলুইন নামে একটি মাদক উপাদান। এটি নিলে ক্ষুধা ও ব্যথা লাগে না। পলিথিন ও কাপড়ে মেখে নিশ্বাসের সাথে শিশুদের ড্যান্ডি সেবন খুবই পরিচিত দৃশ্য। এটি এখন পথশিশুদের কাছে খুবই জনপ্রিয় মাদক। বলাই বাহুল্য দীর্ঘমেয়াদের এসব মাদক গ্রহণ এই শিশুদের ভয়াবহ স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে ফেলছে। অন্যদিকে তারা তাদের রোজগার মাদকের পেছনে ব্যয় করে আরো অর্থলাভের উপায় হিসেবে চুরি, ছিনতাই, প্রতারণা, এমনকি খুন খারাবির মতো অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। দেশে শিশু কিশোর অপরাধীদের ক্রমবর্ধমান সংখ্যাই এর প্রমাণ। সরেজমিনে গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় নগরীর অভিজাত এলাকা হাদিস পার্কের পাশে ড্যান্ডি সেবন করতে দেখা যায় একদল পথশিশুকে। যাদের মধ্যে বাবু (১২), শামিম (১২), হোসেন (১৩) ও সুজন (১৩) উলে¬খযোগ্য। এদের দলে রয়েছে ১৫-১৬জন। এরা...
ছবি
ড্যান্ডিই কেড়ে নিলো আরমানের পা জয়নাল ফরাজী: খুলনা নগরীর এক পথশিশু আরমান। সংসার বলতে সে ও তার মা নাজমা বেগম। ছোট বেলা থেকে সংসারের অভাব-অনটনে পথশিশুদের সাথে তার বেড়ে ওঠা। কাজ করেছে প্রদীপন নামের এক এনজিও’র ময়লার গাড়ীর ড্রাইভার হিসেবে। পথশিশুদের সাথে সখ্যতার কারণে ছোট বেলা থেকে আসক্ত মাদকে। বিভিন্ন ধরনের ট্যাবলেট, সলিশন আঠা বা ড্যান্ডি, সিরিঞ্জের মাধ্যমে প্যাথিডিন ইত্যাদি গ্রহণ করেছে সে। ঘটনাটি ৩-৪ বছর আগের। একবার তার মায়ের সাথে ঝগড়া করে বাসা থেকে বের হয়ে গিয়ে ড্যান্ডি গ্রহণ করে ট্রেনে করে চুয়াডাঙ্গা যাওয়ার পথে নেশাগ্রস্ত হয়ে ট্রেনের চাকার পাশে অচেতন হয়ে থাকে। হঠাৎ সে সেখান থেকে পড়ে গিয়ে ট্রেনে কাটা পড়ে তার বাম পায়ের হাটু পর্যন্ত। পড়ে জ্ঞান ফিরলে সে নিজেকে একটি ক্লিনিকে আবিস্কার করে।  এ বিষয় নিয়ে গতকাল কথা হয় ২৪ বছর বয়সী আরমানের সাথে। সে আরও জানায়, খারাপ বন্ধুদের (পথশিশু) খপ্পড়ে পড়ে সে মাদকে জড়িয়ে পড়ে। তার বন্ধুরা প্রায় সবাই মাদকসেবী ও বিক্রেতা। মাদকে আসক্ত হওয়ার পর অর্থ যোগানের জন্য টোকাইয়ের কাজ করতো।  সে আরও জানায়, ড্যান্ডি এক ধরনের আঠা। যার মূল্য বর্তমান সময়ে মাত্র ...
ছবি
‘ড্যান্ডি’তে আসক্ত খুলনার পথশিশুরা জয়নাল ফরাজীঃ দারিদ্র্যের যাঁতাকলে পিষ্ট হয়ে অবহেলা, অযত্ন আর অনাদরে বেড়ে ওঠা ঠিকানাবিহীন খুলনার হাজার হাজার পথশিশু মাদকে আসক্ত হয়ে পড়েছে। বিভিন্ন বস্তির অলি-গলিতে ভাসমান শিশুদের মাদক সেবনের দৃশ্য অহরহই দেখা যায়। সারা দিন কাগজ বা অন্যান্য ভাঙ্গারির মালামাল কুড়িয়ে তা সংশ্লিষ্ট দোকানে বিক্রি করে যে টাকা আয় করে, তার প্রায় পুরোটাই তারা ব্যয় করে মাদক সেবনে। অন্যদিকে এই মাদকাসক্ত শিশুরা চুরি, ছিনতাই, খুনসহ নানা রকম অপরাধকর্মেও জড়িয়ে পড়ছে। অথচ তাদের নিরাময়ে বা রক্ষায় সরকারি-বেসরকারি কেনো জোরালো উদ্যোগ নেই। এক অনুসন্ধানে উঠে এসেছে যে, নগরীতে বসবাসরত অধিকাংশ পথশিশু মাদকাসক্ত। বাংলাদেশ শিশু অধিকার ফোরামের তথ্য মতে, পথশিশুদের ৮৫ ভাগই কোনো না কোনোভাবে মাদক সেবন করে।  প্রতিদিন সন্ধ্যা ও রাতে খুলনা নগরীর রেলওয়ে স্টেশন এলাকা, সোনাডাঙ্গা ও রূপসা বাস টার্মিনাল এলাকা, বড় বাজার, সাত রাস্তার মোড়, রূপসা, নতুন বাজারের রাস্তায় প্রকাশ্যেই শিশুদের বিভিন্ন মাদকদ্রব্য সেবন করতে দেখা যায়।  তবে তারা সবচেয়ে বেশি আসক্ত ড্যান্ডিতে। ড্যান্ডি এক ধ...
ছবি
খুলনায় মাদক ব্যবসায়ীর মধ্যে ৩৭ শতাংশ নারী জয়নাল ফরাজী: খুলনা মহানগরীতে আবারো আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে মাদক বাণিজ্য। আর এসব মাদকের প্রধান ব্যবসায়ীর বেশিরভাগই নারী ও তরুণী। গাঁজা, ফেনসিডিল ও হেরোইনের পর মাদকসেবিদের নেশার তালিকায় ক্রমশ চাহিদা বাড়ছে ইয়াবা নামক উত্তেজক ট্যাবলেটের। আর ওই নেশার প্রথম শিকার হচ্ছেন কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও উঠতি বয়সি যুবকরা। প্রতিমাসে গড়ে কয়েক লাখেরও বেশি পিস ইয়াবা বিকিকিনি হচ্ছে খুলনায়। উৎসব উপলক্ষে এসব বিকিকিনি বেড়ে যায় বহুগুণে। গ্রামাঞ্চলে গাঁজা ও ফেনসিডিলের চাহিদা বেশি। ইয়াবার চাহিদা মহানগরীর তরুণদের মধ্যে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, খুলনা মহানগরীসহ উপজেলা পর্যায়ে মাদক সম্রাটদের মধ্যে ৩৭ শতাংশ নারী। এ নারী মাদক ব্যবসায়ীরা মোটা অঙ্কের টাকার মালিক হয়েছেন মাদক ব্যবসা করে। বিভিন্ন কৌশলের মাধ্যমে তারা মাদক বিক্রি করে থাকেন। বিশেষ করে নিজেদের শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে তারা ফেনসিডিল, ইয়াবা, গাঁজা ও হেরোইন সরবরাহ করেন। বিভিন্ন সময়ে গ্রেফতারকৃত নারী মাদক ব্যবসায়ীদের এরকম দৃশ্য নতুন নয়। আর এই নারী মাদক ব্যবসায়ীদের অধিকাংশই বসবাস কর...
ছবি
খুলনায় ১০২ জন মাদক সম্রাট ইয়াবা বিক্রির সাথে জড়িত জয়নাল ফরাজী: ইয়াবা নেই খুলনাতে এমন কোনো এলাকা নেই। শহরের বাইরে উপজেলা সদর ছাড়াও গ্রাম-গঞ্জে চলতে এ মরণঘাতি ওষুধের জমজমাট বাণিজ্য। এটি ‘বাবা’ হিসাবে খ্যাত। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের শীর্ষ কর্মকর্তারা বলেছেন, ইয়াবার ব্যবহার সমাজে এমন পর্যায়ে চলে গেছে যা অধিদফতরের একার পক্ষে প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। যেখানে অধিদফতরের এক শ্রেণীর কর্মকর্তা, পুলিশসহ নিয়ন্ত্রণকারী প্রশাসনের কর্মকর্তারা মাদক ব্যবসায় জড়িত এবং নিয়মিত ব্যবহারকারী, সেখানে ইয়াবা প্রতিরোধে ফলাফল শূন্যই হচ্ছে। এ কর্মকর্তারা ইয়াবা প্রতিরোধে সকল পেশার লোকজনকে এগিয়ে আসার এবং মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান জানান। খুলনা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর উপ-আঞ্চলিক কার্যালয়ের সূত্র জানা গেছে, নগরীর টুটপাড়া, বানিয়াখামার, নিরালা, গল্লামারী, নতুনবাজার, লবণচরা, খালিশপুর, দৌলতপুর ও ফুলবাড়িগেট এলাকাসহ নগরীর অধিকাংশ আবাসিক হোটেলে ১০ থেকে ১২ জন পাইকারী বিক্রেতা নিয়মিত ইয়াবা বিক্রি করছে। একই সাথে প্রায় ২৫/৩০ জন খুচরা বিক্রেতা সরাসরি সেবীদের কাছে সরবরাহ করছে। এতে ১০২ জন মাদক সম্রাট জড়িত ...
ছবি
খুলনার যুব সমাজকে ধ্বংস করছে ইয়াবা জয়নাল ফরাজী:  যুবকের বয়সের কৌতুহল ও যৌনতা সম্পর্কে ধ্যান-ধারনায় আকৃষ্ট হয়ে যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট ইয়াবার দিকে ঝুঁকছে উঠতি বয়সের যুবক-যুবতীরা। এর ফলে এই মাদকাসক্ত যুবকরা নানা প্রকার অনৈতিক কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়ছে। অথচ তাদের নিরাময়ে বা রক্ষায় সরকারি-বেসরকারি কেনো জোরালো উদ্যোগ নেই। নগরীর সোনাডাঙ্গা ময়লাপোতা এলাকার ২৪ বছরের যুবক গোলাম রসুল ওরফে পিচ্চি রসুল। এলাকায় গ্রীল কাটা চোর হিসেবে পরিচিত। মাদকের প্রায় প্রতিটি স্তরই তার ঘুরে আসা হয়েছে। তবে সবচেয়ে বেশি আসক্ত ইয়াবায়। তার সাথে রয়েছে প্রায় ১০-১২জন যুবক। যারা প্রত্যেকেই ইয়াবা সেবনে বা বিক্রির সাথে জড়িত। যারা অর্থ যোগাতে তারা প্রত্যেকেই সোনাডাঙ্গাস্থ কেসিসির সোলার পার্কে ছিনতাইয়ে লিপ্ত।  সূত্র জানায়, প্রায় প্রতিদিনই সোলার পার্কে ছিনতাইয়ের কবলে পড়েন বিনোদনপ্রেমীরা। এমনকি পুলিশ থাকা সত্ত্বেও পার্কের কর্মচারীরা ছিনতাইকারীদের দ্বারা অতিষ্ঠ। আর এই ছিনতাইয়ে অংশ নেয় ওই এলাকার মাদকসেবী ও ব্যবসায়ীরা।  রসুলের সাথে আরও যুক্ত রয়েছে তার রানা নামের আরেক যুবক। এরা দু’জনে মাদকসহ একাধিকবার আটক হয়েছে পুল...
ছবি
খুলনায় মাদকের শীর্ষে সর্বনাশা ইয়াবা জয়নাল ফরাজী: সহজ বহনযোগ্যতা, অল্পতে অধিক কার্যকারিতা গন্ধ ও ঘ্রাণবিহীন হওয়ায় খুলনায় মাদকের বাজারে দিন দিন আধিপত্য বাড়ছে মরণঘাতি ট্যাবলেট ‘ইয়াবা’র। স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণ শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে প্রায় সব শ্রেণী- পেশার মানুষ এই নেশায় আসক্ত হয়ে পড়েছেন। কেউ জেনে, আবার কেউ না জেনেই বিপন্ন করছেন নিজের জীবন। এমন কোনো পেশা নেই যেখানে মরণ নেশার আধিপত্য নেই। খোদ পুলিশ থেকে শুরু করে জনপ্রতিনিধি, রাজনীতিকরা পর্যন্ত জড়িয়ে পড়েছেন এই মরণনেশার বাণিজ্যে। শহর থেকে এ নেশা ছড়িয়ে প্রত্যন্ত গ্রাম-গঞ্জেও। ফলে গাঁজা, হেরোইন, ফেন্সিডিলসহ অন্যান্য মাদকের ব্যবহার কমে গেলেও দিন দিন বাড়ছে ইয়াবাসেবীর সংখ্যা। মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ও নগরীর একাধিক মাদক কেন্দ্র ঘুরে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।  নগরীর একাধিক মাদক নিরাময় কেন্দ্রের চিকিৎসকরা জানান, ইয়াবা ব্যবহার মাত্রাতিরিক্ত হারে বেড়ে চলেছে। আর এ কারণে সমাজে নিষ্ঠুরতা, নির্মমতা ও হত্যাকাণ্ডসহ নানা অপরাধ বাড়ছে। ইয়াবা আসক্তরা জন্মদাতা বাবা-মাকে খুন করতেও দ্বিধা করে না। ইয়াবা খেতে খেতে তারা এ...
ছবি
নগরীতে মাদক প্রবেশের নিরাপদ রুট খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়ক  জয়নাল ফরাজী: নগরীতে বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে ঢুকছে মাদকদ্রব্য। তবে সবচেয়ে নিরাপদ রুট হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়ক। সেখানে দায়িত্বরত এক অসাধু পুলিশ কর্মকর্তার কারনেই এ রুট সবচেয়ে নিরাপদ বলে জানা যায়।  অবৈধভাবে আসা পণ্য কলোরোয়া-সরোজকাটি-কেশবপুর হয়ে চুকনগর বাজারের মধ্যদিয়ে শোলগাতিয়া ব্রীজ হয়ে নগরীর দৌলতপুর, খালিশপুর, বড়বাজার এলাকায় সয়লাব করা হচ্ছে। ভোমরা বন্দর এলাকা থেকে অবৈধপথে আসা পন্য খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়ক হয়ে ডুমুরিয়া বাজার, বটিয়াঘাটা বাজারসহ ঢাকা এলাকায় সরবরাহ করা হচ্ছে। ওই পণ্যের মধ্যে নিরবে আসছে বিভিন্ন প্রকার মাদকদ্রব্য। গোয়েন্দা পুলিশের সূত্র জানায়, ভারত, মিয়ানমার ও নেপাল থেকে চোরাইপথে মাদক ঢুকছে বাংলাদেশে। সীমান্তরক্ষী বাহিনী ও পুলিশের নাকের ডগা দিয়েই রেল ও সড়ক পথে মাদকদ্রব্য আনা হয়ে থাকে। সীমান্ত গড়িয়ে আনা ভারতীয় মাদকদ্রব্য নানা কৌশলে এনে খুলনা মহানগরীর দৌলতপুর, রেলগেট, বৈকালী জংশন ও খুলনা রেল স্টেশনের অদূরে নামানো হয়। বিভিন্ন সড়কপথে বাস, ট্রাক, মাইক্রোবাস, ট্যাক্সিযোগে ও নৌপথে মংলা হয়ে বিভ...

খুলনায় সকল অপরাধের শীর্ষে মাদক! জয়নাল ফরাজী

ছবি
খুলনায় সকল অপরাধের শীর্ষে মাদক! জয়নাল ফরাজী: খুলনা জেলায় অপরাধের শীর্ষে এখন মাদক সন্ত্রাস! প্রতিমাসে খুন, ধর্ষণ, ডাকাতী, অপহরণ, নারী নির্যাতন ইত্যাদি সব মিলে যতগুলি অপরাধ ঘটে তার চেয়ে বেশী সংখ্যক অপরাধ ঘটছে শুধু মাদককে কেন্দ্র করে। এর অন্যতম কারণ মাদকের ব্যবসায় কোটি কোটি টাকার নগদ আমদানী। ফলে একমাত্র আগে থেকেই যে অপরাধকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব সেই মাদক সংক্রান্ত অপরাধই এখন হয়ে উঠেছে নিয়ন্ত্রনহীন। এ তথ্য জানা গেছে খোদ জেলার আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভায় প্রকাশিত রিপোর্ট থেকে। রিপোর্টে প্রকাশিত তথ্যমতে, গত ২৫ আগষ্ট অনুষ্ঠিত খুলনা জেলা আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক প্রতিবেদনে জানানো হয় খুলনা মহানগরীর আটটি থানায় গত জুলাই-১৫ মাসে ১২১টি মামলা দায়ের হয়েছে। যার মধ্যে মাদকদ্রব্য সংক্রান্ত মামলা ৪২টি। জেলার নয়টি থানায় গত জুলাই-১৫ মাসে ১৪৮টি মামলা দায়ের হয়। এর মধ্যে মাদকদ্রব্য ১৭টি। উলে¬খ্য, একমাত্র মাদক ব্যবসা ও এর ব্যবহার প্রতিরোধে কাজ করছে রাষ্ট্রের সবচেয়ে বেশী প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত জনবল, অর্থাৎ জেলা ও মেট্রোপলিটন পুলিশ, আনসার, গোয়েন্দা পুলিশ, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তর, বিজিবিসহ অন্যান্য বাহিনী। আর এ...