পোস্টগুলি

এপ্রিল, ২০১৪ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে লাশ রাখার হিমাগার বিকল!/জয়নাল ফরাজী

খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে লাশ রাখার হিমাগার বিকল! জয়নাল ফরাজীঃ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের লাশ রাখার হিমাগারটি নষ্ট হয়ে গেছে। এতে চরম ভোগান্তির শিকার লাশের স্বজনরা। পাশাপাশি যে সব লাশের ময়না তদন্তের জন্য একদিন অপেক্ষা করতে হয় সে সব লাশ রাখা নিয়ে বিভ্রান্তিতে পড়ছে প্রশাসন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও স্বজনরা। তাৎক্ষনিক লাশ রাখতে প্রয়োজন হয় বিকল্প ব্যবস্থার। তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, দক্ষিণাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালের লাশ রাখার জন্য ব্যবহৃত হিমাগার গত শনিবার থেকে বিকল হয়ে গেছে। সেখানে সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত দিঘলিয়া উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান কোহিনুর বেগমের লাশ রাখা ছিল। রোববার লাশ হস্তান্তরকালে দেখা যায় মরদেহটি অর্ধগলিতভাবে রয়েছে। লাশের বিভিন্নস্থান থেকে গলে গলে পড়ছে। তখন বোঝা যায় খুমেকের ব্যবহৃত হিমাগারটি নষ্ট হয়ে গেছে। তারপর থেকে সেখানে কোন লাশ রাখা হয়নি। নিহত কোহিনুর বেগমের স্বজনরা দক্ষিণাঞ্চলকে জানান, নিহত উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যানের লাশ খুমেক হাসপাতালের হিমাগারে রাখা ছিল। হিমাগরাটি নষ্ট থাকায় লাশটি প্রায় অর্ধগলিত হয়ে যায়। দ্রুততার সাথে এই লাশ বরফ দিয়ে ন...

দেড় মাস ধরে নগরীতে পানি সংকট/জয়নাল ফরাজী

দেড় মাস ধরে নগরীতে পানি সংকট চরমে জয়নাল ফরাজী ঃ সুপেয় পানির জন্য হাহাকার চলছে খুলনা মহানগরীজুড়ে। প্রায় দেড়মাস ধরে নগরীর বেশিরভাগ এলাকার নলকূপে ঠিকমতো পানি উঠছে না। ওয়াসার পাইপলাইনেও পানি নেই। নিত্যপ্রয়োজনীয় ব্যবহারের পানি নিয়ে চরম সংকট পোহাচ্ছেন মহানগরীর ১৬ লাখ মানুষ। অন্যান্য বছর গরমের শুরুতে পানি সরবরাহ কিছুটা কমে যায়। কিন্তু এবার পুরোপুরি বন্ধ হওয়ার পথে। এমন ভয়াবহ অবস্থা আগে কখনও দেখেনি খুলনার মানুষ। খাবার পানির পাশাপাশি গৃহস্থলী কাজে ব্যবহার করার পানিরও তীব্র সংকট চরম আকার ধারণ করেছে। খুলনা ওয়াসা সূত্রে জানা গেছে, নগরীর ১৬ লাখ মানুষের প্রতিদিনের পানির চাহিদা ২৪ কোটি লিটার। চাহিদার সম্পূর্ণ পানিই ভূগর্ভ থেকে উত্তোলন করা হয়। ওয়াসা ৭৭টি পাম্প থেকে এবং নগরবাসী প্রায় ১০ হাজার নলকূপে প্রতিদিন পানি তুলছে। এতে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর প্রতিবছর নিচে নেমে যাচ্ছিল। কিন্তু এ বছর অবস্থা অতীতের সব দুর্ভোগকে ছাড়িয়ে গেছে। গত কয়েকদিন নগরীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে পানির জন্য মানুষের অবর্ণনীয় দুর্ভোগের নানা চিত্র দেখা গেছে। নগরীর বয়রা এলাকার বাসিন্দা মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মালেক জানান, দুই বার মোটর পরিবর্তন ক...

আল্লাহ মেঘ দে পানি দে/জয়নাল ফরাজী

আল্লাহ মেঘ দে পানি দে... # পুড়ছে মানুষ # পুড়ছে দেশ জয়নাল ফরাজীঃ গতকাল খুলনার পাইকগাছায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা গত ৫দশকে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড। প্রচন্ড গরমে যেমনি পুড়ছে মানুষ তেমনি পুড়ছে গোটা দেশ। রাস্তা দিয়ে হাটলে মনে হয় হরতাল চলছে। আর সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের হয়েছে মরার ওপর খাড়ার ঘা। দিনমজুর মানুষের বিশেষ করে রাজমিস্ত্রি, রিক্সাচালক, কৃষকের হয়েছে মরণ দশা। সর্বোচ্চ তাপমাত্রার মধ্যেও রোদে পুড়ে কাজ করতে হচ্ছে। এদিকে তীব্র গরমে ফসলি মাঠ ফেটে চৌচির। খরার মৌসুমে মাঠ, খাল-বিল শুকিয়ে যেন খাঁ খাঁ করছে। বৃষ্টির জন্য প্রতীার প্রহর গুনছে গোটা দেশের লোক। দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির জন্য ইসতেকার নামাজ আদায় করা হচ্ছে। কেউ বা মনের অজান্তে গেয়ে উঠছে আল্লাহ মেঘ দে পানি দে ছায়া দে রে তুই। হয়ত বা মনে পড়ে ‘ঘাম ঝরে দরদর গ্রীষ্মের দুপুরে, খাল-বিল চৌচির জল নেই পুকুরে’ কবিতার এই লাইনটুকু। বৈশাখের শুরুতেই তীব্র তাপদাহে পুড়ছে খুলনাসহ গোটা দেশ। তীব্র গরমে বিপর্যস্থ হয়ে উঠেছে এ অঞ্চলের জনজীবন। খুলনা আবহাওয়া অধিদফতর জানায়, অসহনীয় এ অবস্থা আরও কয়েকদিন পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। এছাড়া...

এক মামলাতেই আটকে আছে খুলনা টেক্সটাইল মিল্স/জয়নাল ফরাজী

খুলনা টেক্সটাইল মিল্স এক মামলাতেই আটকে আছে জমির সর্বোত্তম ব্যবহার জয়নাল ফরাজী ঃ একের পর এক বাধা বিপত্তির কারণে এখনো আলোর মুখ দেখেনি খুলনা টেক্সটাইল পল্লী প্রকল্প। সরকারের আন্তরিকতা সত্ত্বেও একটি মামলাতেই আটকে আছে শিল্পনগরী খুলনার ১২ হাজার লোকের কর্মসংস্থান সৃষ্টিকারী এ প্রকল্পটি। দীর্ঘদিন অতিবাহিত হওয়ার পরও নতুন কোন অগ্রগতি না হওয়ায় বর্তমান সরকারের আমলে খুলনা টেক্সটাইল মিলস’র ভাগ্য নিয়ে দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা। এদিকে ঝুলে আছে এই জমিতে হাইটেক পার্ক নির্মাণের বিষয়টিও। প্রসঙ্গত, উনিশ শতাব্দীর প্রারম্ভে  খুলনা শহরের নিউ মার্কেটে স্যার আচার্য্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায় নির্মিত এপিসি কটন মিল যা পরবর্তীতে খুলনা টেক্সটাইল মিল নামে পরিবর্তিত। ১৯৯৩ সালে চারদলীয় জোট সরকার কর্র্তৃক মিলটির পুরাতন যন্ত্রাংশ, দুর্বল অবকাঠামো ইত্যাদি নানা সমস্যার কারণ দেখিয়ে কয়েক হাজার লোককে বেকার বানিয়ে বন্ধ করে দেয়া হয়। প্রায় ৬ বছর পর মিলের জমির সর্বোত্তম ব্যবহার, শিল্পায়ন ও ১২ হাজার বেকার শ্রমিকের কথা মাথায় রেখে ১৯৯৯ সালে তৎকালীন আওয়ামীলীগ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মিলের জমির উপর “খুলনা টেক্সট...